সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

আটঘরিয়ার পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজে পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরণ




মাসুদ রানা: পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরণ আয়োজন করা হয়েছে।  

উৎসবে দুধ চিতই, রস মঞ্জুরি পিঠা, ঝাল পাটিসাপটা, খলা ঝালি পিঠা, ঝাল পিঠা, নারকেল নাড়ু,  মুগ পাক্কন, পাটিসাপটা, বাঁশবোশা পিঠা, ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা, ডিম পোয়া পিঠা, পুলি পিঠা, নারকেল পিঠা, নোনাস পিঠাসহ বিভিন্ন বাহারি নামের ও রকমের পিঠা টেবিলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। 

নিজ হাতে বানানো প্রায়  হাজার হাজার পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ নানান বয়সীরা। দারুণ এ আয়োজন দেখতে ও পিঠার স্বাদ নিতে কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পদচারণা। 

বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসা মানুষজন হৃদয় হরণ ফুলি পিঠা, নারিকেল পিঠা ও পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, দুধপিঠাসহ নানান ধরনের পিঠার স্বাদ নিয়েছেন। 

মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারী সারাদিনব্যাপি পিঠা ও বসস্ত বরণ এই ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ পিঠার সঙ্গে নানান শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে শীতের মৌসুমে এ আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি। 

প্রধান অতিথি হিসেবে পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও মাজপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খান। 

বিশেষ অতিথি মাজপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন। পিঠা উৎসবে সভাপতিত্ব করেন পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন। 

বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব দেখতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ পৌষ মাসে পিঠা উৎসব হয়ে থাকে। তবে শীত মানেই বাড়িতে বাড়িতে পিঠা উৎসব। যদিও এখন আর গ্রাম ছাড়া শহরে পিঠা দেখা যায় না। খাওয়াতো অনেকে দূরে, অনেক পিঠার নামও এখন মনে পড়ে না। এখন শহরের মানুষের একমাত্র ভরসা রাস্তার পাশে বানানো চিতই আর ভাপা পিঠা। 

পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও মাজপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খান বলেন, হঠাৎ করে প্রিন্সিপাল স্যার এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। সব পিঠা অভিভাবকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা বানিয়েছে। এবার নতুন নতুন ধরণের পিঠা দেখছি। দারুণভাবে উপভোগ করছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজনের উপস্থিতি সরব রয়েছে। 

পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন বলেন, পিঠা উৎসব অসাধারণ একটি আয়োজন ছিল। পিঠাগুলো যেভাবে টেবিলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে তা আসলেই সুন্দর লাগছে। 

আমি সব ঘুরে দেখেছি। সত্যিই আমি অভিভূত। এতো পিঠা উঠেছে, এরমধ্যে অনেক পিঠার নাম আমি নিজেও জানি না। গ্রামীণ ঐতিহ্য ধারণে এ আয়োজন প্রশংসনীয়। এ উৎসবটি পুরনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ