দুই কিডনী বিকল হওয়ার পথে আল আমিনের পিতা দিনমজুর হতদরিদ্র আব্দুর রহিম জানান, ময়দাদীঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট্ট আল আমিন গত কয়েক বছর ধরে তার পেটের ডান দিকে ব্যথ্যার কথা বলতেন। সংসারের অভাব অনটনের মধ্যে ছেলেকে ভালো ডাক্তার দেখানো সম্ভব হচ্ছিল না। তাই গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়েই শান্ত করে রাখার চেষ্টা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু প্রায় মাস খানেক আগে আল আমিনের পেটের ব্যথা আরও তীব্রতর হলে ধার দেনা করে টাকা জোগাড় করে বগুড়ায় এক ডাক্তারের নিকট নিলে ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে বলেন। পরীক্ষা নিরীক্ষার রির্পোট দেখে ওই ডাক্তার বলেন যে, তার ডান পার্শ্বের কিডনী একেবারেই ড্যামেজ হয়েছে এবং বাম পাশের কিডনীর তিন ভাগের এক ভাগই নষ্ট হয়েছে। দ্রুত ঢাকার হাসপাতালে একটি অপারেশন প্রায় দুই লাখ টাকা লাগবে।
কিন্তু হতদরিদ্র রহিম- চাঁদনী দম্পতি এত টাকা পাবে কোথা থেকে। তাই বাড়িতে ফিরে এসে অসুস্থ্য ছেলের দুশ্চিন্তায় ধূকে ধূকে দিন পার করছেন। এদিকে অসুস্থ্য ছেলে আল আমিন মাঝে মধ্যেই পেটের ব্যথায় কাতাচ্ছেন। বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে আর যায় না। মাঝে মধ্যে স্কুলে যায়। তবে মন মরা হয়ে বসে থাকে। পড়া লেখা আর তার ভালো লাগে না। আর দরিদ্র পিতামাতার কয়েকখান টিনের ঝুঁপড়ি ঘরে শুয়ে কাতরায়ে দিন পার করেন। আব্দুর রহিম-চাঁদনী খাতুন দম্পতির শেষ ভরসা সমাজের বিত্তবানদের প্রতি । তারা যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে হয়তো একটি সফল অপারেশনের মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে যেতে পারেন তাদের আদরের আল আমিন।
এ ব্যপারে ময়দানদীঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবু জাফর সিদ্দিকী বলেন, বেশ কিছুদিন তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি দেখে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আল আমিনের পিতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার ছেলের কিডনী নষ্ট হয়েছে। তার পিতা মাতা হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ। আল আমিনের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার স্বক্ষমতা তাদের নেই। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে দাড়ানো আহব্বান করেন তিনি।
অসুস্থ স্কুল ছাত্র আল আমিনকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
মোঃ আব্দুর রহিম (অসুস্থ আল আমিনের পিতা)
মাতা : চাঁদনী খাতুন
ময়দানদিঘী পূর্বপাড়া
খানমরিচ ইউনিয়ন, ভাঙ্গুড়া, পাবনা।
বিকাশ নম্বর : ০১৭৮৪৮৬০৬৬২ (আল আমিনের পিতা আব্দুর রহিম)

0 মন্তব্যসমূহ