সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

সম্প্রদান শিক্ষালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত


পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার বাঐখোলায় সম্প্রদান শিক্ষালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মাঠে দিনব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ মো: ইশারত আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি মো: রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন সোসাইটি পাবনা জেলা শাখার সচিব কেএম মোবারক হোসেন মানিক। 

এদিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর পরেই আসন গ্রহন করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। পরে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত শেষে মশাল দৌড়ের মাধ্যমে শুরু হয় ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আনুষ্ঠানিকতা। 

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো: আমিরুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক রিমা খাতুন, সহাকারি শিক্ষক সাথী খাতুন, রুকাইয়া খাতুন, শিলা খাতুন, উর্মি  খাতুন, মনিরুল ইসলাম ও সাঈদা ইয়াসমিন। 

উক্ত ক্রীড়া অনুষ্ঠানে, উচ্চলম্ফ, দীর্ঘ  লম্ফ, মোরগযুদ্ধ, ব্যাঙ দৌড়, বিস্কুট দৌড়, মার্বেল দৌড়, স্কিপিং, বাজনা থামলে বালিশ কোথায়, বস্তা দৌড় ও যেমন খুশি তেমন সাজো সহ প্রায় ৪২টি ইভেন্টে অংশ গ্রহন করে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।      

ক্রীড়া অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন উপস্থিত অতিথিরা।  

 ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্প্রদান শিক্ষালয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কিন্ডার গার্ডেন সোসাইটির আওতায় বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে প্রায় ৩৫জন ছেলে মেয়ে বৃত্তি পেয়েছে। 

একটি গ্রাম অঞ্চলে সর্বোচ্চ মানের একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সর্বাত্মকভাবে সম্প্রদান শিক্ষালয় চেষ্টা করে যাচ্ছে এখন পর্যন্ত এখানে প্রায় ১৭৫ জন ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করছে

এখানে প্রতি বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষা সফর তথা দেশের দর্শনীয় স্থানসমূহ ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদেরকে দেখানোর চেষ্টা করা হয় এবং এখানে পবিত্র কোরআন শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

করোনা কালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ক্রমান্বয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে সে দুর্বলতা কাটিয়ে সামনের দিকে আগানোর জন্য। করোনা থাকাকালীন সময়ে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় করোনা পরবর্তী সময়ে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শুরু করে সম্প্রদান শিক্ষালয়। ্এর ধারাবাহিকতায় ফলাফলে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সম্প্রদান শিক্ষালয়।

আটঘরা উপজেলার ভিতরে একটি আদর্শ ও মানসম্মত মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সম্প্রদান শিক্ষালয়।

সম্প্রদান শিক্ষালয়ে রয়েছে একটি ছবি বিশাল ক্যাম্পাস যেখানে ছেলেমেয়েরা শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা করার সর্বোচ্চ সুযোগ পেয়ে থাকে।

আগামী দিনে সম্প্রদান শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাইমারি লেভেল থেকে মাধ্যমিক লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্যও চেষ্টা চলছে বলে জানান, সম্প্রদান শিক্ষালয়ের প্রধান শিক্ষ মো: আমিরুল ইসলাম। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ