আদালত সূত্রে জানা যায়, পাবনা মানসিক হাসপাতালে থাকাকালীন কেনাকাটা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল আলম বাদী হয়ে ডা. তন্ময়ের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেছিলেন। এই মামলাগুলোতে আজ নির্ধারিত হাজিরা দিতে তিনি আদালতে উপস্থিত হন।
ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন পেশ করলে দুদকের প্রসিকিউশন পক্ষ এর তীব্র বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে জামিন আবেদন নাকচ করেন এবং তাকে সরাসরি পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস হাসপাতালের ওষুধ ও খাবার সরবরাহসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে সরকারের বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল।
সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার জেল হাজতে যাওয়ার খবরে পাবনার সচেতন মহলে এবং স্বাস্থ্য বিভাগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ