পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের মহনপাড়া গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরকে কেন্দ্র করে সিরাজুল ইসলাম (৩৫) নামক এক ব্যক্তি বেধরক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তাকে গুরুত্বর জখম অবস্থায় আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৪ জুন বৃহস্পতিবার ভোর রাতে মহনপাড়া গ্রামে।
হাসপাতাল ও আহতের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়ন মহনপাড়া গ্রামের সলিম উদ্দিনের ছেলের সাথে একই এলাকার সুলতান হোসেনের ছেলে বাবুল পার্টনারশিপের মাছের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলে আসে।
ঘটনার দিন রাত চারটার সময় সিরাজুল ইসলাম নিজ পুকুরের মাছ মেরে মুলাডুলি বাজারে পাঠিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পরে সিরাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে দরবেশপুর বাজারে পৌছা মাত্রই পূর্ব থেকে বাবুল গংরা ওৎ পেতে থেকে ছালার বস্তা দিয়ে সিরাজুলের চলার পথ গতিরোধ করলে সে রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
এসময় বাবুল গংরা সিরাজুল ইসলামকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সিএনজি যোগে চাটমোহর থানার জোনাইল গ্রামের কামরুল ইসলামের বাড়ির উপর বেঁধে রেখে জিআই পাইপ, লোহার রডসহ দেশীয় ধারা অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ব্যাপক মারপিট করে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা সিরাজুল ইসলামকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত সিরাজুল ইসলাম বাবা সলিম উদ্দিন জানান, আমি ভোর রাতে পুকুর থেকে মাছ মেরে জেলেদেরকে দিয়ে মুলাডুলি বাজারে পাঠাই। পরে আমার ছেলে সিরাজুল ইসলাম হোন্ডা নিয়ে মুলাডুলি বাজারে যাওয়া সময় দরবেশপুর বাজার সংলগ্ন বাবুল সহ ৮/১০ জন লাঠি শোঠা, ধারালো অস্ত্র,সহ মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ছেলেকে উদ্ধার করে আটঘরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার সাথে বাবুলের দীর্ঘ দিন পাটনারের মাছের ব্যবসা নিয়ে দন্ড চলে আসছে। এক পর্যায় ঘটনার দিন
ভোর রাতে মাছ মেরে মুলাডুলি বাজারে যাওয়ায় পথে দরবেশ পুর বাজারে বাবুল গং আমার মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ব্যাপক মারপিট করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।
.jpg)
