পাবনা শহরের লাকী বোর্ডিং নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা নারী মরদেহের পরিচয় মিলেছে। ওই নারীর নাম মিনা খাতুন (৩০) দুই সন্তানের জননী মিনা খাতুন পাবনার ফরিদপুর উপজেলার ডেমড়ার কালিয়ানি গ্রামের সামছুল আলমের মেয়ে। দ্বিতীয় স্বামী পলাশের হাতে নির্মম ভাবে সে খুন হয় বলে পুলিশ ধারনা করছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
গত মঙ্গলবার (৫ মে) পাবনা মধ্য শহরে লাকী বোর্ডিং নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানাগেছে, বেশ কয়েক বছর আগে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আমিনুর রহমান লাল্টুর সাথে বিয়ে হয় মিনার। লাল্টু ঢাকায় চাকুরি করার সুযোগে প্রতিবেশি শহিদুল ইসলামের ছেলে পলাশ শেখের সাথে পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে মিনার। এক পর্যায় গত বছরের জুলাই মাসে মিনা খাতুন তার ছোট দুই সন্তানকে রেখে পলাশের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। পলাশের সাথে বেশি দিন টেকেনি সংসার। আট মাস সংসার করার পর বাবার বাড়ি চলে যায় মিনা।
বাবার বাড়িতেই থাকতো সে। গত চার মে সকাল ১০ টার দিকে বেড়া উপজেলায় যাবার কথা বলে বাড়ি থেকে বেড় হয় মিনা। এর পর থেকেই নিখোঁজ ছিল। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে পাবনা শহরের লাকী বোর্ডিং নামের আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে পাওয়া যায় মিনা খাতুনের মরদেহ। সে সময় অজ্ঞাতনামা হিসাবে তাকে চিহ্নিত করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে সিআইডির এক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের পর তার পরিচয় সনাক্ত করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাবনা সদর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের পিতা সামছুল আলম বাদী হয়ে মিনার দ্বিতীয় স্বামী পলাশ শেখকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ আপরাধীকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
পূর্বের সংবাদটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

0 মন্তব্যসমূহ