![]() |
| ছবি-এআই |
পাবনায় সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে পাবনা শহরের মেরিল বাইপাস এলাকার ইয়াকুব ফিলিং স্টেশন, অনন্ত বাজার এলাকার মেসার্স হাইওয়ে ফিলিং স্টেশন এবং রাধানগরের এসএম ফরিদ ফিলিং স্টেশনসহ অধিকাংশ পাম্পে বাইকারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অনেক চালক স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি তেল সংগ্রহ করতে চাইলে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনেক পাম্প মালিক মাথাপিছু ২০০ থেকে ৫০০ টাকার বেশি তেল বিক্রি বন্ধ করে দেন। তবুও রাত ১০টার মধ্যে শহরের সিংহভাগ পাম্পে ‘তেল নেই’ বলে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ফিলিং স্টেশন সূত্র বলছে, অতিরিক্ত চাপের কারণে তাদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা রাত ১০টা পর্যন্ত জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল দিলেও পরে সরবরাহ বন্ধ করতে বাধ্য হন। তবে শুক্রবার বেশিরভাগ পাম্প বন্ধ দেখা গেছে।
এদিকে,জ্বালানি সংকটের এই খবরকে স্রেফ 'আতঙ্ক' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আবুল আহসান রেয়ন বলেন, সরকারের কাছে মাত্র ১৪ দিনের তেল মজুত আছে—এমন একটি বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে পড়ায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এটি কোনো প্রকৃত সংকট নয়। দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনাই সাময়িক এই চাপের কারণ।
তিনি আরও জানান, কাল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তবে খোলা বাজারে বা ড্রামে করে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ অবৈধ মজুত করতে না পারে।

0 মন্তব্যসমূহ