সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

অচিরেই পাবনা চিনিকল চালু করা হবে- পাবনায় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

 


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অচিরেই পাবনা চিনিকলসহ বন্ধ থাকা ৬টি চিনিকল চালু করা হবে। উপদেষ্টা ঈশ্বরদীর সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএসআরআই) বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, লবণ, সাদা চিনি ও পালিশ করা ধবধবে সাদা চাল এই তিনটিই মানবদেহের জন্য বিষ। এই বিষ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হলে আমাদের ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত খেতে হবে। পরিমাণের অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে এবং আমদানি করা সাদা চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে লাল চিনি। ইতোমধ্যে সরকার বন্ধ চিনিকল চালু করে লাল চিনির সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে। অচিরেই পাবনা চিনিকলসহ বন্ধ থাকা ৬টি চিনিকল চালু করা হবে। 

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃবৈষম্য এখনও রয়ে গেছে উল্লেখ্য করে উপদেষ্টা বলেন, এই বৈষম্য থাকার কারণে এখনও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক, ছোট খামারি ও জেলেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। আমরা চেষ্টা করছি এ বৈষম্য দূর করার। দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃসমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে মানুষ উপকৃত হবে। 

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন এবং মাছ, দুধ, ডিম, মাংসসহ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে প্রান্তিক পর্যায়ের জেলে ও কৃষকদের সহায়তা করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ঈশ্বরদীর বিএসআরআই মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ কে এম রাশেদুল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনির হোসেন মিতুল, রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃষক সাজাহান আলী প্রমুখ। 

মৎস্য খামারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল। বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান, জেলা মৎস্য খামার ব্যবস্থাপক ড. মোনাশিষ চৌধুরী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আকলিমা খাতুন, উপজেলা মৎস্য খামার ব্যবস্থাপক রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ