পাবনায় গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির অজুহাতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম।
কাঁচাবাজারে বলতে গেলে প্রতিটি সবজির দামই এখন 'সেঞ্চুরি' পার করেছে। কেবল পেঁপে ও দুই-একটি পদ ছাড়া বাকি প্রায় সব সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে মাছের বাজার; সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বিভিন্ন জাতের মাছের দাম।
শুক্রবার (২৪ জুলাই’ ২০২৬) পাবনার একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে ফেলেছে কাঁচা মরিচ, যা বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা এবং কুমড়ার জালি ৪০-৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা ও পটল ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কুরিকচু ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির এই চড়া ভাবের পাশাপাশি প্রভাব পড়েছে মাছের বাজারেও। মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা এবং বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্তের ভরসা হিসেবে পরিচিত পাঙাশও এখন ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। আর রূপচাঁদা, শোল কিংবা নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে এক হাজার টাকারও বেশি।
তবে সবজি ও মাছের বাজারে চড়া ভাব থাকলেও স্বস্তির খবর মিলেছে মাংস ও ডিমের বাজারে। ফার্মের ডিমের ডজন আগের মতোই ১৩৫ টাকায় স্থির রয়েছে। আর প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারের এমন পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের সাধারণ মানুষ। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও বৃষ্টির অজুহাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।
.jpg)
