পাবনার আতাইকুলায় আব্দুস শুকুর (৪০) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থানার ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর উত্তরপাড়া এলাকার একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ভূলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুস বিশ্বাসের ছেলে রুমি বিশ্বাস এশিয়া পোস্টকে বলেন, নিহত আব্দুস শুকুর রতনপুর গ্রামের মৃত রোকন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আব্দুস শুকুর বাড়ি থেকে বের হন। এরপর গভীর রাত পর্যন্ত তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনের কাছে খোঁজখবর নেন। তবে কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রতনপুর এলাকার উজিরের বাগানের জঙ্গলে গলাকাটা অবস্থায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবার গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পাবনার আতাইকুলায় আব্দুস শুকুর (৪০) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থানার ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর উত্তরপাড়া এলাকার একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ভূলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুস বিশ্বাসের ছেলে রুমি বিশ্বাস বলেন, নিহত আব্দুস শুকুর রতনপুর গ্রামের মৃত রোকন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আব্দুস শুকুর বাড়ি থেকে বের হন। এরপর গভীর রাত পর্যন্ত তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনের কাছে খোঁজখবর নেন। তবে কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রতনপুর এলাকার উজিরের বাগানের জঙ্গলে গলাকাটা অবস্থায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবার গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার পেছনের কারণ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
আতাইকুলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে
.jpg)
