মনসুর আলম খোকন, সাঁথিয়া, পাবনা: সাঁথিয়ার আফতাবনগর বাজার মসজিদে গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই’ ২০২৬) জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের জুমআর নামাজে ইমামতি করার কাজে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা প্রদান, হামলার ঘটনায় ওইদিন রাত ১০ টায় সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহর নির্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে মসজিদের ইমামতি করতে বাধা দিয়েছে। সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের নেতৃত্বে পুলিশের সহয়োগিতায় হামলা চালিয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদেরকে মারধোর করেছে।
পুলিশের পক্ষপাতিত্ব নিয়েও অভিযোগ করেন ব্যারিস্টার মোমেন। তিনি বলেন,সাঁথিয়া থানার ওসি আনিছুর রহমান পতিত পলাতক স্বৈরাচারের দোষর। এই ওসির বিরুদ্ধে জামায়াত নেতাকর্মীদের নির্যাতন,ঘুষ,চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ওসিকে প্রত্যাহার করে না নিলে জনগণকে সাথে নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের সময় উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আনিছুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রটারি মোস্তফা কামাল মানিক,সাবেক উপজেলা আমির মোখলেছুর রহমান, পৌর আমির আব্দুল গফুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পাবনা ১ আসনের (সাঁথিয়া) সাংসদ ব্যারিষ্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আফতাবনগর (ছেঁচানিয়া) বাজার জামে মসজিদে গিয়ে মুসুল্লিদের সাথে কুশলাদি বিনিময়ের পর মসজিদে কথাবার্তা বলেন এবং ছানি খোৎবা দেন। এমপির খোৎবারত অবস্থায় মসজিদে বিএনপির নেতাকর্মীরা আপত্তি জানালে হট্রগোল শুরু হয়। এ সময় মসজিদের মধ্যে জামায়াত এবং বিএনপি'র মুসুল্লীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে। জামায়াতের আহতরা হলেন যুব জামায়াত নেতা শিখন মোল্লা, সাদ্দাম ফকির, মেহেদী হাসান, শিমুল ফকির, রবিন হাসান, মফিজ উদ্দিন, কুতুবউদ্দিন, এনসিপি নেতা আবু দাউদ ফকির এবং বিএনপির মধ্যে আহতরা হলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক জীবন আহমেদ, ৬নং ওয়ার্ড পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাহাদ প্রমূখ।
.jpg)
