ঈশ্বরদীতে মৃত যুবকের নড়ে ওঠা নিয়ে চাঞ্চল্য

0

 

ছবিটি প্রতিকী

ঈশ্বরদীর একটি কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুতায়িত হন শাওন মালিথা নামে এক যুবক। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এর ৪ ঘণ্টা পরই হঠাৎ নড়াচড়া করে ওঠে কফিনবন্দি দেহ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। গত বুধবারের এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


নিহত শাওন মালিথা (১৯) ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের চরমিরকামারী দাঁইড়পাড়া গ্রামের সাদ্দাম মালিথার ছেলে।


জানা গেছে, গত বুধবার কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পর্শে আহত শাওনকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সাবরিনা নামে এক চিকিৎসক তাঁকে দুপুর ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করে সনদপত্র দেন। এ খবরে লাশ দাফন করতে কবর খোঁড়াসহ গ্রামে প্রস্তুতিও শুরু হয়। এদিকে হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বাড়িতে নেওয়ার সময় কফিনবন্দি দেহ নড়াচড়া করছে বলে অনুভব করেন সঙ্গে থাকা লোকজন। পরে কফিন থেকে শাওনকে তুলে বসানো হয়। 


শাওনের চাচা ইমদাদুল হকের দাবি, শাওনকে কফিন থেকে তুলে এক কাপ গরম দুধও খাওয়ানো হয়। এ অবস্থায় শাওনকে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর স্বজন। সেখানে নেওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফের শাওনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।


স্বজনরা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, ‘ডা. সাবরিনা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জেগে ওঠার বিষয়টি সঠিক নয়। বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যাওয়ার পর অনেক সময় সংকুচিত মাংসপেশি নড়ে উঠতে পারে। চিকিৎসাশাস্ত্রে একে ‘রায়গরমরটিস’ বলা হয়। শাওনের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top