রবিউল রনি: অবশেষে পুরন হতে যাচ্ছে পাছপুঙ্গলী গ্রামের সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দিনের লালিত একটি পাকা সড়কের স্বপ্ন। গভীর গর্ত করে চলছে ভরাটের কাজ আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি তাদের বহুকাঙ্ক্ষিত সেই গতিময় সুদিনের।
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলী ইউনিয়নের প্রান্তে অবস্থিত এই পাছপুঙ্গলী গ্রাম। প্রবাহমান বিস্তির্ণ চলনবিলের অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এই গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া একটু দেরি করেই পৌঁছায়।
তদুপরি এই গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক সংগঠন সহ আরো অনেক কিছু। কিন্তু এই বিশাল আলোকিত জনবসতির জন্য ছিল না একটি পাকা সড়ক।
বর্ষা এলেই কর্দমাক্ত পথে চলাফেরা করতে হতো এই গ্রামের সবাইকে। বিশাল চলনবিলে উৎপাদিত মাছ গোয়াল ভর্তি গরু মাঠ ভরা ধান সহ অন্যান্য উৎপাদিত কৃষিপণ্য বহু কষ্টে পরিবহন করতে হতো কৃষকদের। গ্রামের কেউ অসুস্থ হলেও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হতো কষ্টসাধ্য। একটি পাকা সড়কের স্বপ্ন বুকে লালন করে এতো দিন ধরে দিন গুনেছে এই এলাকায় স্থানীয় মানুষ।
অবশেষে পুরন হতে যাচ্ছে পাছপুঙ্গলী গ্রামের মানুষের দির্ঘ দিনের লালিত একটি পাকা সড়কের স্বপ্ন। আগপুঙ্গলী থেকে মাছুয়াঘাটা হয়ে পাছপুঙ্গলী ব্রিজ পর্যন্ত বৃহত্তর পাবনা বগুড়া প্রকল্পের এই সড়কে মোট ৩ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬ শত ৬৫ টাকার বরাদ্দ রয়েছে বলে জানান রাস্তার তত্ত্বাবধানে থাকা বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল করিম সরকার।
তিনি আরো বলেন এই রাস্তা নির্মাণ হলে শুধু পুঙ্গলীবাসী নয় তথা সমগ্র পাবনার মানুষ উপকৃত হবে। এই রাস্তা আরো সম্প্রসারিত হলে কালিয়াকৈরে হয়ে ঢাকা চলে যাওয়া যাবে ফলে মানুষের সময় বেঁচে যাবে প্রায় এক ঘন্টা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবীর বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে আওয়ামীলীগ সরকার যে সকল পদক্ষেপ নিয়েছে এর মাঝে একটি বড় কাজ হচ্ছে রাস্তাঘাট, অবহেলিত চলনবিল এলাকায় এই রাস্তা নির্মাণ অবশ্যই একটি মাইলফলক। ভবিষ্যতে এই রাস্তা মোহনপুরে সংযুক্ত হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।
উক্ত রাস্তা নির্মাণে উচ্ছসিত এলাকার সাধারণ মানুষ। তারা বলেন এই রাস্তায় চলতে আগে অনেক কষ্ট হতো। রাস্তাটি পাকা হলে আমরা অনেক ভালো থাকব।
.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ